এনবি সাফা এগ্রো (NB SAFA AGRO)
অপারেশনাল এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) ম্যানুয়াল
প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি
এনবি সাফা এগ্রো একটি আধুনিক কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্য দেশের কৃষক, খামারি এবং উদ্যোক্তাদের জন্য উন্নতমানের পণ্য ও সেবা প্রদান করা। প্রতিষ্ঠানটি কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার লক্ষ্যে কাজ করে।
এনবি সাফা এগ্রো সঠিক সময়ে সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উচ্চমানের ভুট্টা চাষ, সাইলেজ উৎপাদন, গবাদিপশুর পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পণ্য ও সেবা মান, নিরাপত্তা এবং গ্রাহকের আস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন ও বাজারজাত করা হয়।
আমাদের বিশ্বাস, একটি সফল কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি হলো উন্নত প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা এবং কৃষকের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনবি সাফা এগ্রো মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত পরামর্শ, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সহায়তা প্রদান করে।
আমাদের অঙ্গীকার
- উন্নতমানের ও নির্ভরযোগ্য কৃষি পণ্য সরবরাহ।
- কৃষক ও খামারিদের জন্য বাস্তবভিত্তিক প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান।
- সৎ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবসায়িক নীতি অনুসরণ।
- পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
- গ্রাহকের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।
- গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।
আমাদের লক্ষ্য (Goal)
বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে একটি বিশ্বস্ত, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
ভিশন (Vision)
বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে একটি বিশ্বস্ত, উদ্ভাবনী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, যা আধুনিক প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে কৃষক, খামারি ও উদ্যোক্তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মিশন (Mission)
- কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে উচ্চমানসম্পন্ন, নিরাপদ ও কার্যকর পণ্য ও সেবা সরবরাহ করা।
- আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা।
- গ্রাহক, ডিলার ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
- দক্ষ জনবল, সুশাসন এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- পরিবেশবান্ধব ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা।
মূলনীতি (Core Values)
১. সততা ও স্বচ্ছতা
প্রতিটি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সততা, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা।
২. গুণগত মান
প্রতিটি পণ্য ও সেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করা।
৩. গ্রাহক সন্তুষ্টি
গ্রাহকের চাহিদা, মতামত ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রদান করা।
৪. দলগত কাজ
পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা।
৫. উদ্ভাবন ও উন্নয়ন
নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণাকে উৎসাহিত করে নিয়মিত উন্নয়নের সংস্কৃতি বজায় রাখা।
৬. সময়ানুবর্তিতা
প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব সম্পন্ন করা এবং পেশাদার আচরণ বজায় রাখা।
৭. আইন ও নীতিමালার প্রতি শ্রদ্ধা
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিধিমালা এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা।
৮. সামাজিক ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতা
পরিবেশ সংরক্ষণ, নিরাপদ উৎপাদন এবং সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করা।
৯. ধারাবাহিক শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি
কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১০. উৎকর্ষের সাধনা
প্রতিটি কাজে সর্বোচ্চ মান অর্জনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং ক্রমাগত উন্নয়নের সংস্কৃতি বজায় রাখা।
সাংগঠনিক কাঠামো (Organizational Structure)
প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালনার জন্য একটি সুসংগঠিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুসরণ করা হবে। প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী তার নির্ধারিত দায়িত্ব, কর্তৃত্ব এবং রিপোর্টিং লাইনের আওতায় কাজ করবেন।
১. চেয়ারম্যান / প্রতিষ্ঠাতা (Chairman / Founder)
- প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি নীতি ও কৌশল নির্ধারণ।
- বড় বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদন।
- পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্ব প্রদান।
- প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অগ্রগতি তদারকি।
২. ব্যবস্থাপনা পরিচালক (Managing Director - MD)
- প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা।
- সকল বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করা।
- বার্ষিক বাজেট ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অনুমোদন।
- কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
৩. জেনারেল ম্যানেজার (General Manager - GM)
- দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা।
- বিভিন্ন বিভাগের কাজ পর্যবেক্ষণ।
- GM-এর কাছে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল।
রিপোর্টিং লাইন (Reporting Lines)
বিভাগীয় বিস্তারিত কাঠামো
(ক) অপারেশন বিভাগ
- উৎপাদন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
- মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি।
- উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি।
(খ) সেলস ও মার্কেটিং বিভাগ
- বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।
- এরিয়া ম্যানেজারদের তদারকি।
- বাজার বিশ্লেষণ ও নতুন কৌশল গ্রহণ।
- নিজস্ব এলাকার বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা।
- সেলস এক্সিকিউটিভদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রশিক্ষণ।
- সাপ্তাহিক রিপোর্ট জমা।
- গ্রাহক পরিদর্শন।
- অর্ডার সংগ্রহ।
- বকেয়া আদায়ে সহায়তা।
- দৈনিক রিপোর্ট প্রদান।
(গ) ফাইন্যান্স ও অ্যাকাউন্টস বিভাগ
- আর্থিক পরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ন্ত্রণ।
- ব্যাংক লেনদেন তদারকি।
- আর্থিক ঝুঁকি মূল্যায়ন।
- ভাউচার প্রস্তুত।
- দৈনিক ক্যাশ মিল।
- হিসাব সংরক্ষণ।
- মাসিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি।
(ঘ) মানবসম্পদ (HR) বিভাগ
- নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা।
- প্রশিক্ষণ ও কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন।
- শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।
(ঙ) গুদাম ও স্টোর বিভাগ
- পণ্য গ্রহণ ও বিতরণ।
- স্টক রেজিস্টার সংরক্ষণ।
- মাসিক স্টক যাচাই।
- ক্ষয়ক্ষতি রিপোর্ট প্রস্তুত।
(চ) ক্রয় বিভাগ
- কোটেশন সংগ্রহ।
- ক্রয় আদেশ (Purchase Order) প্রস্তুত。 (সরবরাহকারীদের সাথে সমন্বয়।)
- নির্ধারিত মান নিশ্চিত করা।
অধ্যায় ৪: দায়িত্ব ও কর্তব্য (Roles and Responsibilities)
দায়িত্ব: প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, ভিশন ও কৌশল নির্ধারণ। গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন। পরিচালনা পর্ষদ ও উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক কার্যক্রম মূল্যায়ন ও তদারকি।
কর্তব্য: প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও নৈতিক মান বজায় রাখা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদান।
দায়িত্ব: প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ। বার্ষিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও বাজেট অনুমোদন। বিভাগীয় প্রধানদের কার্যক্রম তদারকি এবং গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি গ্রহণ।
কর্তব্য: প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব প্রদান, নিয়মিত কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করা এবং দেশের প্রচলিত আইন ও নীতিমালা অনুসরণ নিশ্চিত করা।
দায়িত্ব: দৈনন্দিন কার্যক্রম সমন্বয় ও বাস্তবায়ন। বিভাগসমূহের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা। মাসিক ও ত্রৈমাসিক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সমস্যা শনাক্ত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া।
কর্তব্য: নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা ও সময়মতো ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রতিবেদন প্রদান।
দায়িত্ব: বিক্রয় পরিকল্পনা ও টার্গেট নির্ধারণ। এরিয়া ম্যানেজার ও সেলস টিম পরিচালনা। বাজার বিশ্লেষণ ও প্রতিযোগী মূল্যায়ন।
কর্তব্য: বিক্রয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং ডিলার ও গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
দায়িত্ব: নির্ধারিত এলাকার বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা। সেলস এক্সিকিউটিভদের কাজ পর্যবেক্ষণ এবং মাসিক বিক্রয় প্রতিবেদন প্রস্তুত।
কর্তব্য: এলাকার বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং নতুন বাজার ও ডিলার তৈরি করা।
দায়িত্ব: প্রতিদিন নির্ধারিত এলাকায় গ্রাহক পরিদর্শন, অর্ডার সংগ্রহ, বিক্রয় বৃদ্ধি ও বকেয়া আদায়ে সহায়তা। নতুন গ্রাহক ও ডিলার সংগ্রহ এবং দৈনিক কাজের রিপোর্ট জমা।
কর্তব্য: প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি বজায় রাখা, গ্রাহকের আস্থা অর্জন ও সময়মতো অফিসে রিপোর্ট দাখিল করা।
দায়িত্ব: আর্থিক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন। ব্যাংক লেনদেন ও নগদ প্রবাহ তদারকি। মাসিক আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা।
কর্তব্য: সঠিক হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক অনিয়ম প্রতিরোধ করা এবং অডিটে সহযোগিতা করা।
দায়িত্ব: দৈনিক আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ, ভাউচার ও বিল যাচাই, ক্যাশ বুক ও লেজার হালনাগাদ রাখা।
কর্তব্য: সময়মতো আর্থিক রিপোর্ট প্রস্তুত করা এবং নথিপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
দায়িত্ব: পণ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ। স্টক রেজিস্টার ও ক্ষয়ক্ষতি রিপোর্ট প্রস্তুত এবং স্টক যাচাই।
কর্তব্য: স্টকের সঠিকতা নিশ্চিত করা এবং ক্ষয়ক্ষতি বা ঘাটতি দ্রুত রিপোর্ট করা।
দায়িত্ব: জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ। উপস্থিতি ও ছুটির রেকর্ড সংরক্ষণ। কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন পরিচালনা।
কর্তব্য: কর্মীদের জন্য ইতিবাচক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি বাস্তবায়ন করা।
অধ্যায় ৫: মানবসম্পদ (HR) ও এইচআর নীতিমালা
মানবসম্পদ (HR) হলো প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল জনবল নিয়োগ, উন্নয়ন এবং ধরে রাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন করা এবং নিরাপদ ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য।
বিভাগের চাহিদার ভিত্তিতে নিয়োগ। প্রয়োজনীয় নথিপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সনদপত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জীবনবৃত্তান্ত (CV)।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীর প্রবেশনকাল সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস। প্রবেশনকাল সফলভাবে শেষ করার পর সন্তোষজনক কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগ প্রদান করা হবে।
অফিস সময় সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৬:০০ টা (১ ঘণ্টা মধ্যাহ্ন বিরতিসহ)। বায়োমেট্রিক বা উপস্থিতি রেজিস্টারে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। অননুমোদিত অনুপস্থিতি শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি। এছাড়া বছরে নির্ধারিত নৈমিত্তিক ছুটি, চিকিৎসকের সনদ সাপেক্ষে অসুস্থতাজনিত ছুটি এবং মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে অনুমোদিত বার্ষিক ছুটি প্রদান করা হবে।
প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বেতন প্রদান। কাজের লক্ষ্য অর্জন, সময়ানুবর্তিতা এবং শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত KPI মূল্যায়ন করা হবে।
সততা বজায় রাখা, গ্রাহক ও সহকর্মীদের প্রতি ভদ্র আচরণ ও অফিসের ব্যবসায়িক তথ্য গোপন রাখা বাধ্যতামূলাক। কোনো প্রকার ঘুষ, দুর্নীতি বা প্রতারণায় জড়ানো যাবে না।
স্থায়ী কর্মচারীকে কমপক্ষে ৩০ দিন পূর্বে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং সকল দায়িত্ব ও সম্পদ বুঝিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্পন্ন করতে হবে। যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সকল প্রার্থী ও কর্মচারীকে সমান সুযোগ প্রদান করা হবে।
দেরি উপস্থিতি, অননুমোদিত অনুপস্থিতি, অসদাচরণ, আর্থিক অনিয়ম বা তথ্য ফাঁসের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ: ১. মৌখিক সতর্কতা, ২. লিখিত নোটিশ, ৩. কারণ দর্শানোর নোটিশ, ৪. সাময়িক বরখাস্ত এবং ৫. চাকরি বাতিল।
অধ্যায় ৬: সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং স্ট্যান্ডার্ড Operating Procedure (SOP)
- সকাল ৮:৩০ মিনিটে অনলাইন বা অফিস ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ।
- নির্ধারিত রুট প্ল্যান অনুযায়ী মাঠ পরিদর্শন (দৈনিক কমপক্ষে ১০টি দোকান, ডিলার বা খামার ভিজিট)।
- কমপক্ষে ২০ জন সম্ভাব্য গ্রাহক বা খামারির সাথে যোগাযোগ স্থাপন।
- নতুন অর্ডার সংগ্রহ, বকেয়া আদায়ের ফলো-আপ ও প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের বাজার তথ্য সংগ্রহ।
- দিনের শেষে প্রতিদিনের কাজের রিপোর্ট জমা দেওয়া।
বিক্রয় অগ্রগতি পর্যালোচনা করা, ডিলারদের সাথে সমন্বয় সভা, নতুন সম্ভাব্য বাজার চিহ্নিতকরণ, KPI মূল্যায়ন এবং নতুন ডিলার অনুমোদনের সুপারিশ দাখিল।
ডিজিটাল মার্কেটিং পরিচালনা, কৃষক ও খামারিদের জন্য সেমিনার ও পণ্য প্রদর্শনী আয়োজন করা। সেই সাথে ব্যানার, প্রচারপত্র ও পোস্টার বিতরণ করা।
CRM রেজিস্টারে গ্রাহক তথ্য সংরক্ষণ। অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিবন্ধন করে দ্রুত নিষ্পত্তি। বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করা। ভদ্র, পেশাদার আচরণ বজায় রাখা এবং কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা তথ্য না দেওয়া।
১. মাসিক বিক্রয় অর্জন (%), ২. নতুন গ্রাহক ও ডিলার সংখ্যা, ৩. বকেয়া আদায়ের হার, ৪. সময়মতো রিপোর্ট জমা এবং ৫. গ্রাহক সন্তুষ্টির মানদণ্ড।
অধ্যায় ৭: ডিলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (Dealer Management Policy)
বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক (NID কার্ডসহ), স্থায়ী ব্যবসায়িক ঠিকানা ও শোরুম থাকা আবশ্যক। পর্যাপ্ত গুদাম বা পণ্য সংরক্ষণের সুবিধা এবং আর্থিক বিনিয়োগের সক্ষমতা থাকতে হবে।
ডিলার আবেদনপত্র, NID কপি, পাসপোর্ট ছবি, ট্রেড লাইসেন্স কপি, TIN ও BIN (যদি থাকে), ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছবি ও ঠিকানা।
আবেদন গ্রহণ → প্রাথমিক যাচাই → মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন ও গুদাম যাচাই → আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়ন → ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন → ডিলার চুক্তি স্বাক্ষর ও ডিলার কোড প্রদান।
কোম্পানির নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা, নকল বা ভেজাল পণ্য কোম্পানির ব্র্যান্ড নামে বিক্রয় না করা, কোম্পানির সুনাম অক্ষুণ্ন রাখা এবং সময়মতো বকেয়া অর্থ পরিশোধ করা।
ডিলারকে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ, পণ্যের তথ্য ও বিপণন সহায়তা প্রদান, প্রচারসামগ্রী বিতরণ এবং চুক্তি অনুযায়ী ডিলার কমিশন/ইনসেনティブ প্রদান করা।
ডিলার নিয়োগ প্রাথমিকভাবে ১ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে নবায়ন করা হবে। প্রতারণা, জاليةতি, কোম্পানির প্যাকেটে ভেজাল পণ্য বিক্রয় বা চুক্তি ভঙ্গ করলে ডিলারশিপ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে।
প্রতিষ্ঠানের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং ফরম্যাট
এনবি সাফা এগ্রো-এর দৈনন্দিন অপারেশনাল, ফাইন্যান্সিয়াল, স্টক ও এইচআর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্রধান ২০টি ফর্ম্যাট।
